• الصفحة الرئيسيةخريطة الموقعRSS
  • الصفحة الرئيسية
  • سجل الزوار
  • وثيقة الموقع
  • اتصل بنا
English Alukah شبكة الألوكة شبكة إسلامية وفكرية وثقافية شاملة تحت إشراف الدكتور سعد بن عبد الله الحميد
الدكتور سعد بن عبد الله الحميد  إشراف  الدكتور خالد بن عبد الرحمن الجريسي
  • الصفحة الرئيسية
  • موقع آفاق الشريعة
  • موقع ثقافة ومعرفة
  • موقع مجتمع وإصلاح
  • موقع حضارة الكلمة
  • موقع الاستشارات
  • موقع المسلمون في العالم
  • موقع المواقع الشخصية
  • موقع مكتبة الألوكة
  • موقع المكتبة الناطقة
  • موقع الإصدارات والمسابقات
  • موقع المترجمات
 كل الأقسام | مقالات شرعية   دراسات شرعية   نوازل وشبهات   منبر الجمعة   روافد   من ثمرات المواقع  
اضغط على زر آخر الإضافات لغلق أو فتح النافذة اضغط على زر آخر الإضافات لغلق أو فتح النافذة
  •  
    خطبة عيد الفطر
    وضاح سيف الجبزي
  •  
    خطبة عيد الفطر لعام 1444 هـ
    د. أيمن منصور أيوب علي بيفاري
  •  
    خطبة عيد الفطر: لا تقطع اتصالك بالله
    حسان أحمد العماري
  •  
    خطبة العيد 1434 هـ
    د. غازي بن طامي بن حماد الحكمي
  •  
    أول جمعة من شوال 1447هـ
    الشيخ محمد بن إبراهيم السبر
  •  
    خطبة: سورة ( ق ) وقفات وعظات
    الشيخ الدكتور صالح بن مقبل العصيمي ...
  •  
    خطبة عيد الفطر 1447 هـ: هويتنا في الحرب المستعرة
    يحيى سليمان العقيلي
  •  
    خطبة عيد الفطر 1447هـ (مختصرة)
    د. فهد بن ابراهيم الجمعة
  •  
    كنا أمس في رمضان (خطبة)
    الشيخ عبدالله بن محمد البصري
  •  
    خطبة عيد الفطر لعام 1447هـ
    د. عبدالرزاق السيد
  •  
    فرص العيد الكامنة وراء تأمل قصة مؤثرة
    حسام كمال النجار
  •  
    خطبة عيد الفطر: سلامة القلوب ثمرة التقوى
    حسان أحمد العماري
  •  
    خطبة عيد الفطر 1447هـ
    الشيخ محمد بن إبراهيم السبر
  •  
    إذا اجتمع العيد والجمعة في يوم واحد، فهل يسقط ...
    أبو عبدالرحمن أيمن إسماعيل
  •  
    ميثاق العيد.. وعهد الصدق مع العمر
    عبدالله بن إبراهيم الحضريتي
  •  
    خطبة عيد الفطر: الصدق مع الله سبيل النجاة
    حسان أحمد العماري
شبكة الألوكة / آفاق الشريعة / منبر الجمعة / الخطب / خطب بلغات أجنبية
علامة باركود

فكأنما وتر أهله وماله (خطبة) - باللغة البنغالية

فكأنما وتر أهله وماله (خطبة) - باللغة البنغالية
حسام بن عبدالعزيز الجبرين

مقالات متعلقة

تاريخ الإضافة: 11/1/2026 ميلادي - 22/7/1447 هجري

الزيارات: 924

حفظ بصيغة PDFنسخة ملائمة للطباعةأرسل إلى صديقتعليقات الزوارأضف تعليقكمتابعة التعليقات
النص الكامل  تكبير الخط الحجم الأصلي تصغير الخط
شارك وانشر

موضوع الخطبة: فكأنما وتر أهله وماله

 

المترجم: عبد الرحمن بن لطف الحق


খুতবার বিষয়ঃ যেন তার পরিবার-পরিজন ও মাল-সম্পদ সব কিছুই ধ্বংস হয়ে গেল

প্রথম খুৎবা

الحمد لله القدير الغفور، وَسِعَ الخلائقَ حِلمُه رغم ما ارتكبوا من شرور، يفرح بتوبة المذنب ويجبر المكسور، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له جعل الظلمات والنور وأشهد أن نبينا محمدًا عبده ورسوله زاهد ما امتلأت بألوان طعامه القدور، صلى الله وبارك عليه وعلى آله وأصحابه وسلم تسليماً كثيراً.


মুসলিমগণ! আমি আপনাকে এবং নিজেকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার অসিয়ত করছিঃ

﴿ يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنْفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا وَقُودُهَا النَّاسُ وَالْحِجَارَةُ عَلَيْهَا مَلَائِكَةٌ غِلَاظٌ شِدَادٌ لَا يَعْصُونَ اللَّهَ مَا أَمَرَهُمْ وَيَفْعَلُونَ مَا يُؤْمَرُونَ ﴾ [التحريم: 6].

 

অনুবাদঃ হে ইমানদারগণ! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে রক্ষা কর আগুন থেকে, যার ইন্ধন হবে মানুষ এবং পাথর, যাতে নিয়োজিত আছে নির্মম, কঠোরস্বভাব ফেরেশতাগণ, যারা অমান্য করে না তা যা আল্লাহ তাদেরকে আদেশ করেন। আর তারা যা করতে আদেশপ্ৰাপ্ত হয় তা-ই করে।

 

বিশ্বস্ত ভাইয়েরা! গল্পে শিক্ষণীয় বিষয় আছে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কুরআনে অনেক গল্প বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও অনেক গল্প বর্ণনা করেছেন, আমার ভাইয়েরা! আমি আপনাদের সামনে একজন সমসাময়িক ব্যক্তির গল্প বর্ণনা করতে যাচ্ছি যা তার পুত্র হামদান বিন মুহাম্মদ বিন মুসাঈদ আদ-দুগাইবলি আল-ওতাইবি বর্ণনা করেছেন।

 

সন্তান বলেছেন: আমার বাবা এবং তার পরিবার উটের ব্যবসা করতেন, তাই তারা চারণভূমির সন্ধান করতেন এবং গ্রীষ্মের মৌসুমটি সুদাইর শহরের পানি ও গ্রামের কাছে কাটাতেন। বর্ণনাকারী বলেছেন: আমার বাবা বিয়ে করেছিলেন এবং দুই মেয়ে ছিল, এক বছর এক রোগটি ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে বহু লোক মারা যায়, এটি চতুর্দশ শতাব্দীর ষষ্ঠ দশকের কথা, বর্ণনাকারী বলেন: আমার পিতা, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর দুই কন্যা তখন সুদাইরে থাকতেন, তাই তাঁর কন্যা ও স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন, এবং তারা সবাই মারা গেলেন। আল্লাহ তাদের ক্ষমা করুন এবং তার কন্যাদের তার জন্য সুপারিশকারী করুন।

 

এরপর আমার বাবা সুদাইরে চলে যান যেখানে তাঁর ভাই হামদান বিন মুসাইদ থাকতেন, তারপর ব্যবসার কাজে কয়েকদিনের জন্য তায়েফে যান।

 

তিনি বলেনঃ কিছুকাল পর হামদানও মারা যান, তার একটি ছেলে ছিল, তাই লোকেরা আমার বাবাকে তার ভাইয়ের বিধবাকে বিয়ে করার এবং তার ছেলের দেখাশোনা করার পরামর্শ দেয়, সুতরাং এমনটি ঘটেছিল যে তিনি তাকে বিয়ে করেছিলেন এবং তার থেকে তিনটি পুত্র হয়েছিল।

 

তিনি বলেন: 1386 হিজরিতে তিনি সুদিরের দক্ষিণাঞ্চলে বসবাস করছিলেন, একদিন আকাশে একটি ঘন মেঘ দেখা দিল এবং এত বৃষ্টি হয়েছিল যে উপত্যকা জলে ভরে গিয়েছিল এবং তাদের বাড়িগুলিও তলিয়ে গিয়েছিল। বন্যার পানিতে তাদের কিছু পশুও ভেসে গিয়েছিল।

 

এই মহিলা তার চার সন্তানকে সঙ্গে নিল, তার আশেপাশে কিছু প্রতিবেশীও থাকত, তারা সবাই নিজেদের দুশ্চিন্তায় ব্যস্ত, এই মহিলা তাদের বললেন: আমি ঐ পাহাড়ে উঠতে যাচ্ছি। কিন্তু তার একটি ছোট বাচ্চা পানিতে পড়ে বন্যায় ভেসে যায়, মহিলাটি বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে এবং অন্যান্য শিশুরাও তাকে অনুসরণ করে, অবশেষে প্রবল বন্যা তাদের সবাইকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

তিনি বলেন: আমার বাবা এলে লোকজন তাকে পুরো ঘটনা খুলে বলল, এ খবর তার উপর বজ্রঘাতের মতো পড়ল, লোকেরা তাকে সুদাইরের কাছে নিয়ে আসে, তাকে ধৈর্য ধারণ ধরার পরামর্শ দেয় এবং সারা রাত তাকে সান্ত্বনা দেয়।

 

ফজরের নামাযের পর লোকেরা যখন পশুপালকদের কাছে গিয়ে বন্যার দিকে গেল, তখন তারা পাঁচটি মৃতদেহ দেখতে পেল, একজন মা এবং তার সাথে চারটি শিশু। তারা একটি কবর খুঁড়ে, তাদের দাফন করে। আল্লাহ যেন শিশুদের পিতা-মাতার জন্য সুপারিশকারী করেন।

 

বর্ণনাকারী বর্ণনা বলেন: এরপর, আমার পিতা তায়েফে যান, কয়েক দিন কাজ করেন, তারপর ফিরে এসে আমার মাকে বিয়ে করেন, দুর্ঘটনার দেড় বছর বা দুই বছর পরে।

 

তিনি বলেন: আল্লাহ তাদের ছয় পুত্র ও তিন কন্যা দান করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ, তাদের মধ্যে একটি শিশু শৈশবে মারা যাওয়া ছাড়া তাদের কোনটির কিছূ ঘটেনি।

 

ঘটনাটি বর্ণনাকারী বলেছেন: আমার পিতা ১৪২৮ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। আল্লাহ তাদের এবং সমস্ত মুসলিমের মৃত্যুদের রহম করুন।

 

প্রিয় বন্ধুগণ! আপনি কি এই লোকটির দুর্দশার কথা কল্পনা করতে পারেন যার কিছু পশু, স্ত্রী, তিন সন্তান এবং এক ভাগ্নে বন্যায় মারা গিয়েছিল?! আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে যাদের কষ্ট এই ব্যক্তির চেয়ে বেশি, এটি নবীর হাদিস দ্বারা নির্দেশিত, তাই এটি ইবনে উমর থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: " যদি কোন ব্যক্তির ‘আসরের সালাত ছুটে যায়, তাহলে যেন তার পরিবার-পরিজন ও মাল-সম্পদ সব কিছুই ধ্বংস হয়ে গেল"। (বুখারী ও মুসলিম)

 

অর্থাত তার মাল-সম্পদ ছিনিয়ে নেওয়া হল।

 

যদি প্রশ্ন করেন, হাদিসে আসরের নামায ছুটে যাওয়া থেকে কি বুঝানো হয়েছে? উত্তর হল:

আলেমগণের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাপক মতামত হল এই হাদিসটি এমন একজন ব্যক্তির সম্পর্কে যে সূর্যাস্তের পর কোনো অজুহাত ছাড়াই আসরের সালাত আদায় করে। কিছু আলেমদের মতে, এর অর্থ ঐচ্ছিক সময়ের পরে আসরের নামায পড়া, যা সূর্য হলুদ হয়ে গেলে শেষ হয়! যদিও কিছু আলেমদের মতে, এর অর্থ জামাতের সাথে সালাত আদায় করা। (ফাতহুল বারী দারুস সালাম ২/৪২)

(সহীহ মুসলিম শরহুন নওয়াবী: 5/122).

 

 

আল্লাহুল মুসতাআন! আমরা শুনি যে কিছু মুসলমান দুপুরে তাদের কাজ থেকে ফিরে ঘুমিয়ে যায় তারপর রাতে জাগে! আল্লাহর আশ্রয় চাই।

 

আল্লাহ আপনাকে এবং আমাকে কুরআনের বরকত দান করুন।

 

দ্বিতীয় খুতবাহ

الحمد لله القائل ﴿ حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ ﴾ [البقرة: 238].

 

নামায ইসলামের স্তম্ভ, বিশেষ করে আসরের নামাযের অনেক বৈশিষ্ট রয়েছে, এর মাহাত্ম্য নির্দেশকারী কিছু দলীল আপনাদের সামনে পেশ করা হচ্ছেঃ

আসরের নামায হল মধ্যবর্তী সালাত, সহীহ মুসলিমে বারা বিন আজিব থেকে বর্ণিতবারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ আয়াতটি এভাবে অবতীর্ণ হয়েছিল

 

﴿ حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى ﴾ [البقرة: 238].

যতদিন আল্লাহর ইচ্ছা ছিল

 

ততদিন এভাবেই আমরা আয়াতটি তিলাওয়াত করতাম। অতঃপর মহান আল্লাহ আয়াতটি 'মানসুখ' বা বাতিল ঘোষণা করে এভাবে অবতীর্ণ করলেন

 

﴿ حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى ﴾ [البقرة: 238]

(পূর্বোক্ত আয়াতটির অর্থ দাঁড়ায় সালাতসমূহ ও আসরের সালাতের রক্ষণাবেক্ষণ করো। পরবর্তীকালে নাযিলকৃত আয়াতটির অর্থ দাঁড়ায় সলাতসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ করে এবং

 

﴿ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى ﴾ [البقرة: 238].

বা মধ্যবর্তীকালীন সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করো।

 

বর্ণনাকারী শ্বাকীক ইবনু উকবাহ এর কাছে জনৈক ব্যক্তি বসেছিল। এ কথা শুনে তিনি বারা ইবনু আযিবকে লক্ষ্য করে বললঃ তাহলে তো এ কথা দ্বারা আসরের সলাতই বুঝায়। বারা ইবনু আযিব তাকে বললেনঃ কী পরিস্থিতিতে কেমন করে পূর্বোক্ত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে কেমন করে তা মানসূখ বা বাতিল হয়েছিল, তা আমি তোমাকে বলে দিয়েছি। আর আল্লাহ তা'আলাই এ সম্পর্কে সমধিক পরিজ্ঞাত।

 

আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন খন্দকের একটি খাঁজ বা সংকীর্ণ পথের উপর বসে বললেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদেরকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে “সলাতুল উসতা" (মধ্যবর্তী সময়ের সলাত বা আসরের সলাত) আদায় করা থেকে বিরত রেখেছে এবং এমনকি এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়ে গিয়েছে। আল্লাহ তা'আলা ওদের কবর ও বাড়ি-ঘর অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) বললেনঃ কবরসমূহ অথবা পেট আগুন দ্বারা যেন ভর্তি করে দেন। (মুসলিম)

 

পরিখার গিরিপথ মানে এটিতে প্রবেশ করার এবং ফিরে যাওয়ার পথ।

(সহীহ মুসলিম, শারহুন নওয়াবী: 5/131)।

 

আসরের নামাযে ফেরেশতাগণ উপস্থিত হন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (মালাকগণ পালা বদল করে তোমাদের মাঝে আগমন করেন; একদল দিনে, একদল রাতে। ‘আসর ও ফাজরের সালাতে উভয় দল একত্র হন। অতঃপর তোমাদের মাঝে রাত যাপনকারী দলটি উঠে যান। তখন তাদের প্রতিপালক তাদের জিজ্ঞেস করেন, আমার বান্দাদের কোন্ অবস্থায় রেখে আসলে? অবশ্য তিনি নিজেই তাদের ব্যাপারে সর্বাধিক অবত। উত্তরে তাঁরা বলেন, আমরা তাদের সালাতে রেখে এসেছি, আর আমরা যখন তাদের নিকট গিয়েছিলাম তখনও তারা সালাত আদায়রত অবস্থায় ছিলেন)। (বুখারী ও মুসলিম)

 

আমরা কি অনুভব করি যে এই প্রার্থনায় ফেরেশতারাও আমাদের সাথে উপস্থিত থাকে এবং আল্লাহ তায়ালার প্রশ্নের উপরোক্ত উত্তর দেয়?!

 

আসরের নামায ত্যাগ করার জন্য বিশেষভাবে কঠোর প্রতিশ্রুতি রয়েছে, বুখারী তার আবুল মালিহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেনঃ তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমরা বুরাইদা (রাযি.)-এর সঙ্গে ছিলাম। দিনটি ছিলো মেঘলা। তাই বুরাইদাহ (রাযি.) বলেন, শীঘ্র ‘আসরের সালাত আদায় করে নাও। কারণ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ‘আসরের সালাত ছেড়ে দেয় তার ‘আমাল বিনষ্ট হয়ে যায়।

 

ইবনে হাজার আলেমগণের অনেক বক্তব্য উল্লেখ করার পর লিখেছেন: "সবচেয়ে নিকটতম ব্যাখ্যা হল যে এই প্রতিশ্রুতি একটি কঠোর সতর্কবাণীসরূপ এবং এর আপাত অর্থ উদ্দেশ্য নয়। আল্লাহই ভাল জানেন"

ফাতহুল বারী 2/44)।

 

একটি হাদিস অনুযায়ী নিয়মিত আসরের সালাত আদায় করা জান্নাতে প্রবেশের কারণ।

 

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুই শীতের সালাত আদায় করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (বুখারী ও মুসলিম)

 

মুসলিমের এক বর্ণনাই এসেছে

ফজর ও ‘আসরের নামায।

 

ইমাম খাত্তাবি বলেন: "এই নামাজগুলোকে শীতের নামায বোঝানোর কারণ হল, এগুলি দিনের শীতল অংশে আদায় করা হয়, অর্থাৎ দিনের উভয় প্রান্তে, যখন বাতাসে সতেজতা থাকে এবং তাপের তীব্রতা কমে যায়। "

 

(ফাতহুল বারী তা দারুস সালামঃ ২/৭১)

 

আসরের নামাযের ব্যাপারে আরো কঠোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যদি কোন ব্যক্তির ‘আসরের সালাত ছুটে যায়, তাহলে যেন তার পরিবার-পরিজন ও মাল-সম্পদ সব কিছুই ধ্বংস হয়ে গেল। (বুখারী ও মুসলিম)

 

নিয়মিত আসরের সালাত আদায় করা জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে সলাত আদায় করবে সে জাহান্নামে যাবে না। (মুসলিম)

 

আসরের সালাত আদায় আল্লাহর সাক্ষাত অর্জনের একটি কারণ। জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি রাতে (পূর্ণিমার) চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ ঐ চাঁদকে তোমরা যেমন দেখছ, ঠিক তেমনি অচিরেই তোমাদের প্রতিপালককে তোমরা দেখতে পাবে। তাঁকে দেখতে তোমরা কোন ভীড়ের সম্মুখীন হবে না। কাজেই সূর্য উদয়ের এবং অস্ত যাওয়ার পূর্বের সালাত (শয়তানের প্রভাবমুক্ত হয়ে) আদায় করতে পারলে তোমরা তাই করবে। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াত পাঠ করলেন, ‘‘কাজেই তোমার প্রতিপালকের প্রশংসার তাসবীহ্ পাঠ কর সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে’’- (বুখারী ও মুসলিম)

 

শেষ কথা: আমার বিশ্বস্ত ভাইয়েরা! আমাদের উচিত সকল নামায বিশেষ করে ফজর ও আছরের নামাযের যত্ন নেওয়া, কেননা এই দুই নামাযের ফযীলতে বহু হাদীস রয়েছে যেমন আপনারা শুনলেন, এটা আশ্চর্যজনক যে এই দুটি নামাজ আজকাল বেশি অবহেলা করা হয়।

 

﴿ يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا تُوبُوا إِلَى اللَّهِ تَوْبَةً نَصُوحًا عَسَى رَبُّكُمْ أَنْ يُكَفِّرَ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيُدْخِلَكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ يَوْمَ لَا يُخْزِي اللَّهُ النَّبِيَّ وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ نُورُهُمْ يَسْعَى بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَبِأَيْمَانِهِمْ يَقُولُونَ رَبَّنَا أَتْمِمْ لَنَا نُورَنَا وَاغْفِرْ لَنَا إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِير ﴾ [التحريم: 8].

 

অনুবাদঃ হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর---বিশুদ্ধ তাওবা ; সম্ভবত তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে প্রবেশ করবেন জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। সেদিন আল্লাহ লাঞ্ছিত করবেন না নবীকে এবং তার সাথে যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে। তাদের নূর তাদের সামনে ও ডানে ধাবিত হবে। তারা বলবে, ‘হে আমাদের রব! আমাদের জন্য আমাদের নূরকে পূর্ণতা দান করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন, নিশ্চয় আপনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।'

 

নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দরুদ ও সালাম পাঠ করুন।

 





حفظ بصيغة PDFنسخة ملائمة للطباعةأرسل إلى صديقتعليقات الزوارأضف تعليقكمتابعة التعليقات

شارك وانشر

مقالات ذات صلة

  • فكأنما وتر أهله وماله (خطبة)
  • فكأنما وتر أهله وماله (خطبة) (باللغة الأردية)
  • فكأنما وتر أهله وماله (خطبة) - باللغة الإندونيسية

مختارات من الشبكة

  • زوجي يقضي أغلب وقته مع أهله(استشارة - الاستشارات)
  • هل أقبل بالسكن مؤقتا مع أهله؟(استشارة - الاستشارات)
  • عائلتي ترفض زواجي بها(استشارة - الاستشارات)
  • إجلال النبي الكريم - صلى الله عليه وسلم - للقرآن وأهله(مقالة - موقع الشيخ أ. د. عرفة بن طنطاوي)
  • ذم الوسواس وأهله لابن قدامة المقدسي تحقيق أسامة إسماعيل عكاشة(مقالة - ثقافة ومعرفة)
  • فوائد وأحكام من قوله تعالى: {وإذ غدوت من أهلك تبوئ المؤمنين مقاعد للقتال والله سميع عليم...}(مقالة - آفاق الشريعة)
  • تفسير قوله تعالى: {وإذ غدوت من أهلك تبوئ المؤمنين مقاعد للقتال والله سميع عليم ...}(مقالة - آفاق الشريعة)
  • {قال أخرقتها لتغرق أهلها}(مقالة - آفاق الشريعة)
  • ولاية الله بين أهل الاستقامة وأهل الوسائط والخوارق(مقالة - آفاق الشريعة)
  • وصف جنات النعيم وأهلها(مقالة - موقع الشيخ عبدالله بن جار الله آل جار الله)

 



أضف تعليقك:
الاسم  
البريد الإلكتروني (لن يتم عرضه للزوار)
الدولة
عنوان التعليق
نص التعليق

رجاء، اكتب كلمة : تعليق في المربع التالي

مرحباً بالضيف
الألوكة تقترب منك أكثر!
سجل الآن في شبكة الألوكة للتمتع بخدمات مميزة.
*

*

نسيت كلمة المرور؟
 
تعرّف أكثر على مزايا العضوية وتذكر أن جميع خدماتنا المميزة مجانية! سجل الآن.
شارك معنا
في نشر مشاركتك
في نشر الألوكة
سجل بريدك
  • بنر
  • بنر
  • بنر
كُتَّاب الألوكة
  • مسلمو غورنيا بينيا يسعدون بمسجدهم الجديد بعد 10 أشهر من البناء
  • إفطار رمضاني يعزز ارتباط الشباب بالمسجد في ألكازار دي سان خوان
  • مسلمون جدد يجتمعون في إفطار رمضاني جنوب سيدني
  • مسابقة رمضانية في يايسي لتعريف الطلاب بسيرة النبي محمد
  • سلسلة محاضرات رمضان "المعرفة - منفعة عامة" تواصل فعالياتها في تيشان
  • طلاب القرم يتعلمون قيم الرحمة عبر حملة خيرية تعليمية
  • تعرف على مسجد فخر المسلمين في شالي أكبر مسجد في أوروبا
  • مسلمو تايلر يفتحون أبواب مسجدهم لتعريف الناس بالإسلام في رمضان

  • بنر
  • بنر
  • بنر
  • بنر
  • بنر

تابعونا على
 
حقوق النشر محفوظة © 1447هـ / 2026م لموقع الألوكة
آخر تحديث للشبكة بتاريخ : 1/10/1447هـ - الساعة: 23:56
أضف محرك بحث الألوكة إلى متصفح الويب