• الصفحة الرئيسيةخريطة الموقعRSS
  • الصفحة الرئيسية
  • سجل الزوار
  • وثيقة الموقع
  • اتصل بنا
English Alukah شبكة الألوكة شبكة إسلامية وفكرية وثقافية شاملة تحت إشراف الدكتور سعد بن عبد الله الحميد
الدكتور سعد بن عبد الله الحميد  إشراف  الدكتور خالد بن عبد الرحمن الجريسي
  • الصفحة الرئيسية
  • موقع آفاق الشريعة
  • موقع ثقافة ومعرفة
  • موقع مجتمع وإصلاح
  • موقع حضارة الكلمة
  • موقع الاستشارات
  • موقع المسلمون في العالم
  • موقع المواقع الشخصية
  • موقع مكتبة الألوكة
  • موقع المكتبة الناطقة
  • موقع الإصدارات والمسابقات
  • موقع المترجمات
 كل الأقسام | مواقع المشرفين   مواقع المشايخ والعلماء  
اضغط على زر آخر الإضافات لغلق أو فتح النافذة اضغط على زر آخر الإضافات لغلق أو فتح النافذة
  •  
    حديث: هل عندكم شيء من الوحي غير القرآن؟
    الشيخ عبدالقادر شيبة الحمد
  •  
    الرقية ليست توقيفية بل اجتهادية
    د. عبدالعزيز بن سعد الدغيثر
  •  
    الفكر والحياة
    أ. د. علي بن إبراهيم النملة
  •  
    فضل العلم (خطبة)
    الدكتور علي بن عبدالعزيز الشبل
  •  
    قراءات اقتصادية (1) فيلسوف الاقتصاد: الاقتصاد ...
    د. زيد بن محمد الرماني
  •  
    الفصول في سيرة الرسول صلى الله عليه وسلم (الدرس ...
    الدكتور علي بن عبدالعزيز الشبل
  •  
    ذكريات شموع الروضة (13) محمود الحماد "ورجل قلبه ...
    د. صغير بن محمد الصغير
  •  
    فضل الذكر
    الشيخ أ. د. عرفة بن طنطاوي
  •  
    بيان معنى ومفهوم البلاغ
    الشيخ أ. د. عرفة بن طنطاوي
  •  
    حسن العشرة وبذل المعروف بين الزوجين في ضوء الكتاب ...
    الشيخ عبدالرحمن بن سعد الشثري
  •  
    مشروعية الرقية من يحتاج للرقية
    د. عبدالعزيز بن سعد الدغيثر
  •  
    ترشيد استهلاك الماء في ضوء الكتاب والسنة (خطبة)
    الشيخ عبدالرحمن بن سعد الشثري
  •  
    التربية النبوية بالمواقف والأحداث (خطبة)
    د. محمود بن أحمد الدوسري
  •  
    الفكر والفكر (التصادم الفكري)
    أ. د. علي بن إبراهيم النملة
  •  
    مشروعية تعلم الرقي والتخصص في الرقية
    د. عبدالعزيز بن سعد الدغيثر
  •  
    الماء.. والإسراف
    الدكتور علي بن عبدالعزيز الشبل
شبكة الألوكة / آفاق الشريعة / منبر الجمعة / الخطب / خطب بلغات أجنبية
علامة باركود

قسوة القلب (خطبة) (باللغة البنغالية)

قسوة القلب (خطبة) (باللغة البنغالية)
حسام بن عبدالعزيز الجبرين

مقالات متعلقة

تاريخ الإضافة: 14/1/2026 ميلادي - 27/7/1447 هجري

الزيارات: 4985

حفظ بصيغة PDFنسخة ملائمة للطباعةأرسل إلى صديقتعليقات الزوارأضف تعليقكمتابعة التعليقات
النص الكامل  تكبير الخط الحجم الأصلي تصغير الخط
شارك وانشر

قسوة القلب

المترجم: عبد الرحمن بن لطف الحق

খুতবার বিষয়ঃ হৃদয়ের কঠোরতা

প্রথম খুৎবা

 

الحمد لله العليم الحكيم، الصبور الحليم، القريب الرحيم يجيب دعوة الداعي إذا دعاه، وأشهد أن لا إله إلا الله وحدَه لا شريك له يجبر المنكَسِر إذا لاذَ بحِماه، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله بلغ الرسالة وأدى الأمانة ونصح الأمة وجاهد في الله حق جهاده صلَّى الله عليه وعلى آله وأصحابه.


সম্ভবত এই সূরার গাভী নামকরণের এটাই কারণ। এই নামের মাধ্যমে এই উম্মতকে সতর্ক করা হচ্ছে যে, আমরা যেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশ মেনে চলি এবং গাভীওয়ালাদের মতো না হই।

 

বিশেষ করে সূরা বাকারা সবচেয়ে বড় সূরা এবং এই সূরার মধ্যে অসংখ্য আদেশ-নিষেধ রয়েছে, সূরার শেষে আল্লাহ মুমিনদের কথা বর্ণনা করে বলেছেনঃ

﴿ وَقَالُواْ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ ﴾ [البقرة: 285].

 

আর তারা বলে: আমরা শুনেছি ও মেনে নিয়েছি। হে আমাদের রব! আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার দিকেই প্রত্তাবর্তনস্থল।

 

হে মুসলিমগণ! ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন: আমাদের ইসলাম গ্রহণ এবং এই আয়াতের মাধ্যমে আমাদের প্রতি আল্লাহর তিরস্কারের মধ্যে চার বছরের বেশি ব্যবধান ছিল না:

﴿ أَلَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ آمَنُوا أَنْ تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ لِذِكْرِ اللَّهِ ﴾ [الحديد: 16].

 

অনুবাদঃ যারা ঈমান এনেছে তাদের হৃদয় কি আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য নাযিল হয়েছে তার জন্য বিগলিত হওয়ার সময় আসেনি ?

 

আল্লাহ সর্বোত্তম উম্মতকে, সর্বোত্তম যুগে ভয় দেখাচ্ছেন সময়ে, যদিও তারা ইবাদতগুযার, মুজাহিদ এবং ত্যাগী লোক ছিলেন। সুতরাং, এই যুগে আমাদের অবস্থা কী হতে পারে যেখানে ফিতনা ব্যাপক হয়ে উঠেছে এবং পৃথিবী তার সমস্ত জাঁকজমক নিয়ে বিরাজমান।

 

আমাদের পাপের কারণে আমাদের হৃদয় কঠোর হয়ে গেছে, আমাদের মধ্যে তওবা ও ইস্তিগফার খুবই কম এবং ইবাদতে আমরা অত্যন্ত দুর্বল হয়ে , হাদীসে এসেছেঃচাটাই বুননের মত এক এক করে ফিতনা মানুষের অন্তরে আসতে থাকে। যে অন্তরে তা গেঁথে যায় তাতে একটি করে কালো দাগ পড়ে। আর যে অন্তর তা প্রত্যাখ্যান করবে তাতে একটি উজ্জ্বল দাগ পড়বে। এমনি করে দুটি অন্তর দু'ধরনের হয়ে যায়। এটি সাদা পাথরের ন্যায়; আসমান ও জমিন যতদিন থাকবে ততদিন কোন ফিতনা তার কোন ক্ষতি করতে পারে না। আর অপরটি হয়ে যায় উল্টানো সাদা মিশ্রিত কালো কলসির ন্যায়, তার প্রবৃত্তির মধ্যে যা গেছে তা ছাড়া ভাল-মন্দ বলতে সে কিছুই চিনে না। (মুসলিম)

 

গুনাহের পর গুনাহ করলে অন্তর এমন শক্ত হয়ে যায় যে অন্তরকে পর্দার মত আবৃত করে রাখেঃ

﴿ كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ ﴾ [المطففين: 14].

 

অনুবাদ: কখনো নয়; বরং তারা যা অর্জন করেছে তা-ই তাদের হৃদয়ে জঙ্ ধরিয়েছে ।

 

আল্লাহ তা‘আলা যাদের অন্তর কঠোর হয়েগেছে তাদের সতর্ক করে বলেনঃ

﴿ فَوَيْلٌ لِلْقَاسِيَةِ قُلُوبُهُمْ مِنْ ذِكْرِ اللَّهِ أُولَئِكَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴾ [الزمر: 22].

 

অনুবাদঃ অতএব দুর্ভোগ সে কঠোর হৃদয় ব্যক্তিদের জন্য, যারা আল্লাহর স্মরণ বিমুখ! তারা স্পষ্ট বিভ্ৰান্তিতে আছে।

 

হে বিশ্বস্ত ভাইয়েরা! হৃদয়ের কঠোরতা সাধারণত পাপ এবং অবাধ্যতার স্বাভাবিক ফলাফল, তবে একটি কারণ রয়েছে যা হৃদয়ের কঠোরতা তৈরিতে বিশেষভাবে কার্যকর এবং এই কারণটির সারসংক্ষেপ নিম্নরূপ। আর তা হচ্ছে আল্লাহর যিকির থেকে গাফিল ও বিমুখ হওয়াঃ

﴿ أَلَمْ يَانِ لِلَّذِينَ آَمَنُوا أَنْ تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ لِذِكْرِ اللَّهِ وَمَا نَزَلَ مِنَ الْحَقِّ وَلَا يَكُونُوا كَالَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلُ فَطَالَ عَلَيْهِمُ الْأَمَدُ فَقَسَتْ قُلُوبُهُمْ وَكَثِيرٌ مِنْهُمْ فَاسِقُونَ ﴾ [الحديد: 16].

 

অনুবাদঃ যারা ঈমান এনেছে তাদের হৃদয় কি আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য নাযিল হয়েছে তার জন্য বিগলিত হওয়ার সময় আসেনি ? আর তারা যেন তাদের মত না হয় যাদেরকে আগে কিতাব দেয়া হয়েছিল --- অরঃপর বহু কাল অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাদের অন্তরসমূহ কঠিন হয়ে পড়েছিল। আর তাদের অধিকাংশই ফাসিক।

 

সুতরাং আপনার বিবেচনা করা উচিত, আল্লাহর যিকর ও কিতাব থেকে দীর্ঘদিন দূরত্ব তাদের হৃদয়কে কঠোর করে তুলেছিল, কুরআনের উদ্দেশ্য এমন একটি পাপের বিরুদ্ধে সতর্ক করা (যেটিতে পূর্ববর্তী উম্মত জড়িত ছিল) বিনোদন এবং একটি ঐতিহাসিক দৃশ্য দেখানো নয়।

 

বরং যাতে আমরা এটি এড়াতে পারি এবং এটি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি। একইভাবে আল্লাহর এই বাণীতে স্মরণ থেকে দূরত্ব ও হৃদয়ের কঠোরতার মধ্যে সম্পর্ক বিবেচনা করুন।

﴿ فَوَيْلٌ لِلْقَاسِيَةِ قُلُوبُهُمْ مِنْ ذِكْرِ اللَّهِ ﴾ [الزمر: 22].

 

অনুবাদঃ অতএব দুর্ভোগ সে কঠোর হৃদয় ব্যক্তিদের জন্য, যারা আল্লাহর স্মরণ বিমুখ!

 

ইবনে জারীর বলেন: আল্লাহ তায়ালা তাঁর স্মরণকে এভাবে বর্ণনা করছেন: এমন লোকদের জন্য দুর্ভোগ রয়েছে যাদের অন্তর কঠোর হয়ে গেছে, তারা আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফিল এবং বিমুখ হয়েগেছে।

 

হে আল্লাহ! আমরা আপনার কাছে আশ্রয় চাই এমন ইলম থেকে যা উপকারে আসেনা, এবং এমন হৃদয় থেকে যা আল্লাহকে ভয় করে না।

 

তাওবা করুন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন, নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল।

 

অন্তরের কঠোরতার নিরাময় হল বান্দা ও তার রবের মধ্যে প্রকৃত তাওবাহ থাকা উচিত, তাই এমন অবস্থায় বান্দা বেশি বেশি নেক আমল করবে এবং গুনাহ থেকে দূরে থাকবে। এই দুটি পদ্ধতির মাধ্যমে সে পাপের অপবিত্রতা থেকে পবিত্র হবে এবং তার বিষ নিরাময় করবে। এর সর্বোত্তম পন্থা যার দ্বারা অন্তর নরম ও ভীতিপূর্ণ হয় তা হল কুরআন।মহান আল্লাহ বলেনঃ

﴿ اللَّهُ نَزَّلَ أَحْسَنَ الْحَدِيثِ كِتَابًا مُتَشَابِهًا مَثَانِيَ تَقْشَعِرُّ مِنْهُ جُلُودُ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ ثُمَّ تَلِينُ جُلُودُهُمْ وَقُلُوبُهُمْ إِلَى ذِكْرِ اللَّهِ ﴾ [الزمر: 23].

 

অনুবাদ: আল্লাহ নাযিল করেছেন উত্তম বাণী সম্বলিত কিতাব যা সুসামঞ্জস্য এবং যা পুনঃ পুনঃ আবৃত্তি করা হয়। এতে যারা তাদের রবকে ভয় করে, তাদের শরীর শিউরে ওঠে, তারপর তাদের দেহমন বিনম্র হয়ে আল্লাহর স্মরণে ঝুঁকে পড়ে।

 

আর কুরআন শ্রবণ করার একটা আলাদাই প্রভাব রয়েছেঃ

﴿ وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ آيَاتُهُ زَادَتْهُمْ إِيمَاناً ﴾ [الأنفال: 2]

অনুবাদঃ তাঁর আয়াতসমূহ তাদের নিকট পাঠ করা হলে তা তাদের ঈমান বর্ধিত করে ।

 

যখন কোরআন তেলাওয়াত করা হয় তখন তারা কোরআন তেলাওয়াত শোনে। আল্লাহ তাঁর নবী ও তাঁর মনোনীত লোকদের সম্পর্কে সংবাদ প্রদান করে বলেনঃ

﴿ إِذَا تُتْلَى عَلَيْهِمْ آيَاتُ الرَّحْمَن خَرُّوا سُجَّداً وَبُكِيّاً ﴾ [مريم: 58].

 

অনুবাদঃ তাদের কাছে দয়াময়ের আয়াত তিলাওয়াত করা হলে তারা লুটিয়ে পড়ত সাজদায় এবং কান্নায় ।

 

বরং যারা মুসলমান হয়নি তাদের চোখও আর্দ্র হয়ে উঠেছিল, যেমনটি হয়েছিল আবিসিনিয়ায় হযরত জাফর ও তাঁর সঙ্গীদের বেলায়, যখন নাজাশী ও তাঁর সঙ্গীরা কুরআন শুনেছিলেন।

﴿ وَإِذَا سَمِعُواْ مَا أُنزِلَ إِلَى الرَّسُولِ تَرَى أَعْيُنَهُمْ تَفِيضُ مِنَ الدَّمْعِ مِمَّا عَرَفُواْ مِنَ الْحَقِّ يَقُولُونَ رَبَّنَا آمَنَّا فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ ﴾ [المائدة: 83].

 

অনুবাদঃ আর রাসূলের প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা যখন তারা শুনে, তখন তারা যে সত্য উপলব্ধি করে তার জন্য আপনি তাদের চোখ অশ্রু বিগলিত দেখবেন । তারা বলে, ‘হে আমাদের রব! আমরা ঈমান এনেছি; কাজেই আপনি আমাদেরকে সাক্ষ্যবহদের তালিকাভুক্ত করুন।’

 

অন্তরের কঠোরতার একটি চিকিৎসা হচ্ছে বেশি বেশি আল্লাহর যিকির করা।

﴿ الَّذِينَ آمَنُواْ وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللّهِ أَلاَ بِذِكْرِ اللّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ ﴾ [الرعد: 28].

 

অনুবাদঃ যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহ্‌র স্মরণে যাদের মন প্রশান্ত হয়; জেনে রাখ, আল্লাহ্‌র স্মরণেই মন প্রশান্ত হয়।

 

এক ব্যক্তি হাসান বসরীকে বললঃ হে আবু সাঈদ, আমি আপনার কাছে আমার হৃদয় কঠোরতার অভিযোগ করছি? তিনি বললেন, আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমে তা দূর কর।

 

হৃদয়ের কঠোরতার চিকিৎসার আরেকটি উপায় হল আল্লাহর কাছে দুআ করা এবং তাঁর কাছে আশ্রয় নেওয়া, কারণ হৃদয় আল্লাহর হাতে। মহানবী (সাঃ) এমন হৃদয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন যা ভয় করে না, এবং তার রবের কাছে একটি সুস্থ হৃদয় চেয়েছিলেন, এবং আল্লাহর কাছে হেদায়েত ও তাকওয়া চেয়েছিলেন এবং দৃঢ়তার জন্য প্রার্থনা করতেন।

 

এর নিরাময়ের একটি উপায় হল মুসলমানের জন্য কবর জিয়ারত করা, বিশেষ করে এমন সময়ে যখন একজন ব্যক্তি একা থাকে, সেখানে কিছুক্ষণ বসে চিন্তা করবে এবং তার অবস্থা মনে করবে যখন সে কবরবাসীদের শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত হবে। এবং যখন তাকে কবর দেওয়া হবে এবং পরিবার এবং বন্ধুরা তাকে ছেড়ে চলে যাবে।

 

অন্তরের কঠোরতার চিকিৎসার অন্যতম উপায় হলো দান-খয়রাতের আয়োজন করা। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন: “এক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খেদমতে তার হৃদয়ের কঠোরতার বিষয়ে অভিযোগ করলেন। নবী সাঃ বললেন: “যদি! তুমি চাও তোমার হৃদয় নরম হোক, গরীব-দুঃখীকে খাওয়াও এবং এতিমের যত্ন নাও। (আহমাদ, আলবানী এটিকে হাসান বলেছেন)

 

অতএব, আমাদের হৃদয় যতই কঠিন হোক না কেন, আমাদের জন্য নিরাশ না হওয়া উচিত, কেননা আল্লাহ যখন এমন লোকদের অবস্থা সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন, যাদের একটি নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হয়েছিল এবং তাদের হৃদয় কঠিন হয়ে গিয়েছিল, তখন আল্লাহ বলেছেনঃ

﴿ اعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ يُحْيِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ ﴾ [الحديد: 17].

 

অনুবাদঃ জেনে রাখ যে, আল্লাহ্‌ই জমিনকে তার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন। আমরা নিদর্শনগুলো তোমাদের জন্য সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পার ।

 

এর পরবর্তী আয়াতে আল্লাহ সাদকার হুকুম দেনঃ

﴿ إِنَّ الْمُصَّدِّقِينَ وَالْمُصَّدِّقَاتِ وَأَقْرَضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا يُضَاعَفُ لَهُمْ وَلَهُمْ أَجْرٌ كَرِيمٌ ﴾ [الحديد: 18].

 

অনুবাদঃ নিশ্চয় দানশীল পুরুষগণ ও দানশীল নারীগণ এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ দান করে তাদেরকে দেয়া হবে বহুগুণ বেশী এবং তাদের জন্য রয়েছে সম্মানজনক পুরস্কার।

 

অন্তর নরম হওয়া এবং কঠিন হওয়া থেকে বাঁচার একটি উপায় হল ভালো মানুষের সাথে মেলামেশা করা এবং অবাধ্য সমাবেশ থেকে দূরে থাকা।আল্লাহ বলেনঃ

﴿ وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُ وَلَا تَعْدُ عَيْنَاكَ عَنْهُمْ تُرِيدُ زِينَةَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَلْبَهُ عَنْ ذِكْرِنَا وَاتَّبَعَ هَوَاهُ وَكَانَ أَمْرُهُ فُرُطًا ﴾ [الكهف: 28].

 

অনুবাদঃ আর আপনি নিজেকে ধৈর্যের সাথে রাখবেন তাদেরই সংসর্গে যারা সকাল ও সন্ধ্যায় ডাকে তাদের রবকে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে এবং আপনি দুনিয়ার জীবনের শোভা কামনা করে তাদের থেকে আপনার দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবেন না । আর আপনি তার আনুগত্য করবেন না--- যার চিত্তকে আমরা আমাদের স্মরণে অমনোযোগী করে দিয়েছি, যে তার খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করেছে ও যার কর্ম বিনষ্ট হয়েছে।

 

পরিশেষে হে আল্লাহর বান্দাগণ! আমাদের অন্তরকে কোমল করার জন্য সচেষ্ট হওয়া উচিত। এবং কুরআন শ্রবণ করে, তেলাওয়াতের মাধ্যমে, অসুস্থদের যিয়ারতের মাধ্যমে, নামাযের মাধ্যমে, কবর যিয়ারতের মাধ্যমে, দান-খয়রাতের মাধ্যমে, বারবার আল্লাহকে স্মরণ করার মাধ্যমে এবং নেককারদের সাথে উঠা বসার দ্বারা অন্তরের কঠোরতা দূর করার জন্য উদগ্রীব হওয়া উচিত।

 

নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দরুদ ও সালাম পাঠ করুন।

 





حفظ بصيغة PDFنسخة ملائمة للطباعةأرسل إلى صديقتعليقات الزوارأضف تعليقكمتابعة التعليقات

شارك وانشر

مقالات ذات صلة

  • قسوة القلب (خطبة)
  • قسوة القلب (خطبة)‏
  • خطبة آثار قسوة القلب (خطبة)
  • قسوة القلب (خطبة) (باللغة الأردية)
  • قسوة القلب (خطبة) (باللغة الإندونيسية)
  • قسوة القلب (خطبة) (باللغة النيبالية)

مختارات من الشبكة

  • قسوة القلب (2)(مقالة - موقع د. أمين بن عبدالله الشقاوي)
  • قسوة القلب (1)(مقالة - موقع د. أمين بن عبدالله الشقاوي)
  • قسوة القلب وعلاجها (خطبة)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • فساد القلب بين القسوة والسواد(مقالة - آفاق الشريعة)
  • خطبة: استشعار التعبد وحضور القلب (باللغة البنغالية)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • خطبة: استشعار التعبد وحضور القلب (باللغة النيبالية)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • خطبة: استشعار التعبد وحضور القلب (باللغة الإندونيسية)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • علامات صاحب القلب السليم (خطبة)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة (نعم المآكل) - باللغة البنغالية(مقالة - آفاق الشريعة)
  • الموائد اليومية من الموارد العلمية - باللغة اليابانية (PDF)(كتاب - مكتبة الألوكة)

 



أضف تعليقك:
الاسم  
البريد الإلكتروني (لن يتم عرضه للزوار)
الدولة
عنوان التعليق
نص التعليق

رجاء، اكتب كلمة : تعليق في المربع التالي

مرحباً بالضيف
الألوكة تقترب منك أكثر!
سجل الآن في شبكة الألوكة للتمتع بخدمات مميزة.
*

*

نسيت كلمة المرور؟
 
تعرّف أكثر على مزايا العضوية وتذكر أن جميع خدماتنا المميزة مجانية! سجل الآن.
شارك معنا
في نشر مشاركتك
في نشر الألوكة
سجل بريدك
  • بنر
  • بنر
كُتَّاب الألوكة
  • بعد 8 سنوات من البناء... مسجد جديد يفتح أبوابه بمدينة سومور الفرنسية
  • لأول مرة في تاريخها... إندونيسيا تطلق أول معرض لتلاوة القرآن الكريم بلُغة الإشارة
  • مساجد بريطانيا تفتح أبوابها أمام الجميع في النسخة الـ11 من «زر مسجدي»
  • «الرعاية معا».. مؤتمر طبي إسلامي يجمع 200 متخصص وطالب في أستراليا
  • التوسع في البرامج القرآنية للأطفال والبالغين في الفولغا مع بداية العام الدراسي
  • انطلاق أولى محاضرات موسم الشباب المسلم بتتارستان
  • احتفالات قرآنية في بورغاس وفيلكو تارنوفو تكرم أطفالا أتموا قراءة القرآن الكريم
  • المالديف تستهدف الوصول إلى 500 حافظ وحافظة للقرآن الكريم خلال العام

  • بنر
  • بنر

تابعونا على
 
حقوق النشر محفوظة © 1448هـ / 2026م لموقع الألوكة
آخر تحديث للشبكة بتاريخ : 14/4/1448هـ - الساعة: 9:3
أضف محرك بحث الألوكة إلى متصفح الويب