• الصفحة الرئيسيةخريطة الموقعRSS
  • الصفحة الرئيسية
  • سجل الزوار
  • وثيقة الموقع
  • اتصل بنا
English Alukah شبكة الألوكة شبكة إسلامية وفكرية وثقافية شاملة تحت إشراف الدكتور سعد بن عبد الله الحميد
الدكتور سعد بن عبد الله الحميد  إشراف  الدكتور خالد بن عبد الرحمن الجريسي
  • الصفحة الرئيسية
  • موقع آفاق الشريعة
  • موقع ثقافة ومعرفة
  • موقع مجتمع وإصلاح
  • موقع حضارة الكلمة
  • موقع الاستشارات
  • موقع المسلمون في العالم
  • موقع المواقع الشخصية
  • موقع مكتبة الألوكة
  • موقع المكتبة الناطقة
  • موقع الإصدارات والمسابقات
  • موقع المترجمات
 كل الأقسام | مقالات   بحوث ودراسات   إبهاج المسلم بشرح صحيح مسلم   الدر الثمين   سلسلة 10 أحكام مختصرة   فوائد شرح الأربعين   كتب   صوتيات   مواد مترجمة  
اضغط على زر آخر الإضافات لغلق أو فتح النافذة اضغط على زر آخر الإضافات لغلق أو فتح النافذة
  •  
    شرح (صفوة أصول الفقه) لابن سعدي - رحمه الله - ...
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    التعليق على رسالة (ذم قسوة القلب) لابن رجب (PDF)
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    10 مسائل مهمة ومختصرة في: شهر الله المحرم
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    10 مسائل مهمة ومختصرة في الأضحية (PDF)
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    10 مسائل مهمة ومختصرة في 10 ذي الحجة (PDF)
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    الدعاء لمن أتى بصدقة
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    حديث: صدقة لم يأكل منها
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    حديث: هو لها صدقة، ولنا هدية
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    باب: (ترك استعمال آل النبي على الصدقة)
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    حديث: «كخ كخ، ارم بها، أما علمت أنا لا نأكل ...
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    شرح حديث: سيخرج في آخر الزمان قوم أحداث الأسنان ...
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    التعريف بالخوارج وصفاتهم
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    حديث: ألا تأمنوني؟ وأنا أمين من في السماء
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    إعطاء المؤلفة قلوبهم على الإسلام وتصبر من قوي ...
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    إعطاء المؤلفة قلوبهم على الإسلام وتصبر من قوي ...
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
  •  
    إعطاء المؤلفة قلوبهم من الزكاة
    الشيخ د. عبدالله بن حمود الفريح
شبكة الألوكة / آفاق الشريعة / منبر الجمعة / الخطب / خطب بلغات أجنبية
علامة باركود

لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة (نعم المآكل) - باللغة البنغالية

لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة (نعم المآكل) - باللغة البنغالية
حسام بن عبدالعزيز الجبرين

مقالات متعلقة

تاريخ الإضافة: 18/1/2026 ميلادي - 29/7/1447 هجري

الزيارات: 1623

حفظ بصيغة PDFنسخة ملائمة للطباعةأرسل إلى صديقتعليقات الزوارأضف تعليقكمتابعة التعليقات
النص الكامل  تكبير الخط الحجم الأصلي تصغير الخط
شارك وانشر

لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة (نعم المآكل)

المترجم: عبد الرحمن بن لطف الحق

 

খুতবার বিষয়ঃ কিয়ামাতের দিন এ নি’আমাত সম্বন্ধে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে।

প্রথম খুৎবা

الحمد لله الغنيِ الخبير الصبور البصير الحليم القدير، نحمده حمداً كثيراً طيباً مباركاً فيه، ملء السموات وملء الأرض، ونحمده عدد ما خلق وملء ما خلق، وأشهد ألا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير، وأشهد أن محمداً عبده ورسوله، شكر ربه بالفعال وبالمقال صلى الله عليه وسلم وبارك وعلى آله وأصحابه.


আমি আপনাকে আপনাকে এবং নিজেকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার এবং আমাদের অন্তর ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে তাকওয়ার বহিঃপ্রকাশ ঘটায় এমন কাজ করার উপদেশ দিচ্ছিঃ

﴿ يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمْ وَاخْشَوْا يَوْمًا لَا يَجْزِي وَالِدٌ عَنْ وَلَدِهِ وَلَا مَوْلُودٌ هُوَ جَازٍ عَنْ وَالِدِهِ شَيْئًا إِنَّ وَعْدَ اللَّهِ حَقٌّ فَلَا تَغُرَّنَّكُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا وَلَا يَغُرَّنَّكُمْ بِاللَّهِ الْغَرُورُ ﴾ [لقمان: 33].

 

অনুবাদঃ হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবের তাক্ওয়া অবলম্বন কর এবং ভয় কর সে দিনকে, যখন কোনো পিতা তার সন্তানের পক্ষ থেকে কিছু আদায় করবে না, অনুরূপ কোনো সন্তান সেও তার পক্ষ থেকে আদায়কারী হবে না । নিশ্চয় আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য ; কাজেই দুনিয়ার জীবন যেন তোমাদেরকে কিছুতেই প্রতারিত না করে এবং সে প্রবঞ্চক যেন তোমাদেরকে কিছুতেই আল্লাহ্ সম্পর্কে প্রবঞ্চিত না করে।

 

মুসলিমগণ! আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক দিনে কিংবা রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তার বাড়ী থেকে) বের হয়ে আবূ বাকর (রাযিঃ) ও উমার (রাযিঃ) কে দর্শন করলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, এ সময় কিসে তোমাদের গৃহ হতে বের করেছে? তারা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! উপবাসের যন্ত্রণায়। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যে মহান আল্লাহর হাতে আমার জীবন, তার কসম, যা তোমাদের বের করে এনেছে, আমাকেও তা-ই বের করে এনেছে, চলো। তারা উভয়ে তার সাথে চলতে লাগলেন। তারপর তিনি এক আনসারীর গৃহে এলেন তখন তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তার সহধর্মিণী তাকে (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দেখে বলল, মারহাবা ওয়া আহলান, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রশ্ন করলেন, অমুক কোথায়? স্ত্রীলোকটি বলল, তিনি আমাদের জন্য মিষ্ট পানি আনতে গেছেন।

 

তখনই আনসারী ব্যক্তিটি উপস্থিত হয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার দু' সাথীকে দেখতে পেয়ে বললেন, আল্লাহর প্রশংসা, আজ মেহমানের দিক হতে আমার থেকে সৌভাগ্যবান আর কেউ নেই। তারপর সে গিয়ে একটি খেজুরের ছড়া নিয়ে আসলেন। তাতে কাঁচা, পাকা ও শুকনা খেজুর ছিল। তিনি বললেন, আপনার এ ছড়া থেকে খান। এরপর তিনি ছুরি নিলেন (ছাগল যাবাহ করার জন্য) তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, সাবধান, দুধওয়ালা বকরী যাবাহ করবে না। অতঃপর তাদের জন্য (বকরী) যাবাহ করলে তারা বকরীর গোশত ও কাঁদির খেজুর খেলেন এবং (মিঠা) পানি পান করলেন। তারা সকলে ক্ষুধা মিটালেন ও পরিতৃপ্ত হলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আবূ বাকর ও উমর (রাযিঃ) কে কেন্দ্র করে বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন, তার কসম! কিয়ামাতের দিন এ নি’আমাত সম্বন্ধে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে। ক্ষুধা তোমাদের বাড়ি হতে বের করে এনেছে অথচ তোমরা এ নি’আমাত লাভ না করে ফিরে যাওনি। (মুসলিম)

 

আমি জানি না খাইরুল বাশার ও আপনার সঙ্গীদের ক্ষুধায় আমি আশ্চর্য হব নাকি এক দস্তর খানে তিন ধরনের খাবারের নি’আমাতে?

 

আল্লাহর দোহাই, আপনার দস্তর খানে সাধারণত কত ধরনের খাবার থাকে বলুন!

 

হে আল্লাহ! আমাদের ন্যায়বিচারের অভাবের জন্য আমাদের ক্ষমা করুন এবং আপনার নিআমতের জন্য কৃতজ্ঞ হওয়ার সুযোগ দিন!

 

প্রিয় বন্ধুগণ! একটি পত্রিকায় একটি দুঃখজনক খবর প্রকাশিত হয়, যেখানে জানানো হয়, খাদ্য সামগ্রী নষ্ট করার ক্ষেত্রে সৌদি আরব বিশ্বের এক নম্বরে!

 

খাদ্য বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক উপস্থাপিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে খাদ্য বর্জ্যের খরচ প্রতি বছর ``49.833 বিলিয়ন রিয়াল''।

 

আল্লাহর বান্দারা! এটা কি যুক্তিযুক্ত যে হারামানের ভূমি যেখানে ওহী নাযিল হয়েছিল, সেখানে খাদ্য অপচয় ও নিআমতের অমূল্যায়ণের ক্ষেত্রে এক নম্বর হওয়া উচিত?!

 

বিলাসিতা আর নিআমত অপচয়কারী মানুষ তার বাপ-দাদার ক্ষুধা কি করে ভুলতে পারে! সে কি জানে না এদেশে এমন মানুষ ছিল যারা মরা গাধা পেলে খুশি হতেন, এবং সবার থেকে লুকিয়ে সেই গাধার পোকামাকড় হটিয়ে দিয়ে ভুনা করে খোঁচা মেরে সেই গাধার গোশত খেত। এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তির নাতি আমাকে এটা বলেছে।

 

এই নাতি আমাকে বলেছিলেন যে তার দাদী একবার অভিযোগ করেছিলেন যে টেবিলের উপর একটি বাটিতে দই রেখেছিলেন এবং তাতে কিছু দই অবশিষ্ট ছিল। অতঃপর তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লেন এবং ক্ষুধার একটি গল্প শোনালেন। তিনি বললেন যে, তারা এমন একজনকেও দেখেছেন যে সে তার মেয়েকে লোকের নিকট বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল যাতে কেউ তাকে পেট ভরে খাওয়ায়! কিন্তু তিনি কাউকে খুঁজে পান না এবং কয়েকদিন পর মেয়েটি মারা যায়। আল্লাহ তার উপর রহম করুন।

 

যে নিআমতের অবজ্ঞা করে সে কি জানে না যে এদেশে এমন মানুষ ছিল যারা বহু দিন খাবার পেতনা এবং কিছু মানুষ অনাহারে মারা গিয়েছিল!

 

আল্লাহর বান্দারা! নিয়ামত টিকে থাকার উপায় হল এর জন্য (আল্লাহর কাছে) কৃতজ্ঞ হওয়া।

﴿ وَإِذْ تَأَذَّنَ رَبُّكُمْ لَئِنْ شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ وَلَئِنْ كَفَرْتُمْ إِنَّ عَذَابِي لَشَدِيدٌ ﴾ [إبراهيم: 7].

 

অনুবাদঃ আর স্মরণ করুন, যখন তোমাদের রব ঘোষণা করেন, তোমরা কৃতজ্ঞ হলে অবশ্যই আমি তোমাদেরকে আরো বেশী দেব আর অকৃতজ্ঞ হলে নিশ্চয় আমার শাস্তি তো কঠোর ।’

 

আমাদের হৃদয়ে আল্লাহর নিআমত অনুভব করা উচিত, আমাদের জিহ্বা দিয়ে প্রচুর পরিমাণে আল্লাহর প্রশংসা করা এবং প্রায়শই এমন কাজ করা উচিত যা আল্লাহকে খুশি করে এবং এমন কাজগুলি এড়িয়ে চলা যা তাকে অসন্তুষ্ট করে। এই চারটি কাজের মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা অর্জিত হয়ঃ

﴿ يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَاشْكُرُوا لِلَّهِ إِنْ كُنْتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ ﴾ [البقرة: 172].

 

অনুবাদঃ হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে আমরা যেসব পবিত্র বস্তু দিয়েছি তা থেকে খাও এবং আল্লাহ্‌র কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর, যদি তোমরা শুধু তাঁরই ইবাদাত কর।

 

তিনি আরো বলেনঃ

﴿ يَاأَيُّهَا النَّاسُ كُلُوا مِمَّا فِي الْأَرْضِ حَلَالًا طَيِّبًا وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ * إِنَّمَا يَأْمُرُكُمْ بِالسُّوءِ وَالْفَحْشَاءِ وَأَنْ تَقُولُوا عَلَى اللَّهِ مَا لَا تَعْلَمُونَ ﴾ [البقرة: 168، 169].

 

অনুবাদঃ হে মানুষ! তোমরা খাও যমীনে যা কিছু বৈধ ও পবিত্র খাদ্যবস্তু রয়েছে তা থেকে। আর তোমরা শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শক্র।

 

সে তো শুধু তোমাদেরকে নির্দেশ দেয় মন্দ ও অশ্লীল কাজের এবং আল্লাহ্‌ সম্বন্ধে এমন সব বিষয় বলার যা তোমরা জান না ।

﴿ كُلُوا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّهُ وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴾ [الأنعام: 142].

 

অনুবাদঃ আল্লাহ যা রিযিকরূপে তোমাদেরকে দিয়েছেন তা থেকে খাও এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না; সে তো তোমাদের প্রকাশ্য শক্র।

 

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার রিজিক ভক্ষণ করতে এবং শয়তানের পথ পরিহার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং এক্ষেত্রে অনেক বাড়াবাড়ি রয়েছে।

 

এটা যেমন দুঃখজনক তেমনি ভীতিকর যে আমাদের দেশ খাদ্য অপচয়ে এক নম্বরে রয়েছে, কারণ নিআমত অবজ্ঞা করলে বরকত চলে যায়ঃ

﴿ وَضَرَبَ اللَّهُ مَثَلًا قَرْيَةً كَانَتْ آمِنَةً مُطْمَئِنَّةً يَأْتِيهَا رِزْقُهَا رَغَدًا مِنْ كُلِّ مَكَانٍ فَكَفَرَتْ بِأَنْعُمِ اللَّهِ فَأَذَاقَهَا اللَّهُ لِبَاسَ الْجُوعِ وَالْخَوْفِ بِمَا كَانُوا يَصْنَعُونَ ﴾ [النحل: 112].

 

আর আল্লাহ্‌ দৃষ্টান্ত দিচ্ছেন এক জনপদের যা ছিল নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত, যেখানে আসত সবদিক থেকে তার প্রচুর জীবনোপকরণ। তারপর সে আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ অস্বীকার করল, ফলে তারা যা করত সে জন্য আল্লাহ্‌ সেটাকে আস্বাদ গ্রহণ করালেন ক্ষুধা ও ভীতির আচ্ছাদনের ।

 

এ কারণেও যে, আল্লাহ শুকরিয়া আদায় করার এবং অপচয় থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেনঃ

﴿ كُلُوا مِنْ ثَمَرِهِ إِذَا أَثْمَرَ وَآتُوا حَقَّهُ يَوْمَ حَصَادِهِ وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ ﴾ [الأنعام: 141].

 

অনুবাদঃ যখন ওগুলো ফলবান হবে তখন সেগুলোর ফল খাবে এবং ফসল তোলার দিন সে সবের হক প্রদান করবে । আর অপচয় করবে না; নিশ্চয় তিনি অপচয়কারীদেরকে পছন্দ করেন না।

﴿ وَكُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ ﴾ [الأعراف: 31].

 

অনুবাদঃ আর খাও এবং পান কর কিন্তু অপচয় কর না নিশ্চয় তিনি অপচয়কারীদেরকে পছন্দ করেন না।

 

আমাদের দেশের সাথে সম্পর্কিত, এই খবরটি ইসলামের বদনামের একটি কারণ! কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি ছড়িয়ে গেছে এবং আমাদের দেশে মুসলমানদের একটি কিবলা রয়েছে যার দিকে তারা দিনে কমপক্ষে পাঁচবার মুখ করে। এদেশে এমন পবিত্র স্থানও রয়েছে যেখানে সারা বিশ্বের মুসলমানরা হজ করতে আসেন।

 

আপনি নিজেই চিন্তা করুন, এই ইসলাম সম্পর্কে বিশ্বে কী ধারণা হবে, যে ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করেছে, এই দেশ খাদ্য অপচয় করার তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে?!

 

হে উদার রব! আপনার ক্ষমা দ্বারা আমাদের ক্ষমা করুন, হে মান্নান, হে শাকুর! আপনার অনুগ্রহে আমাদের আশীর্বাদ করুন। তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও, নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল

 

দ্বিতীয় খুতবাহ


الحمد لله....

 

প্রিয় বন্ধুগণ! ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক সচেতনতা এই মনোভাব সংশোধনের প্রথম ধাপ, তাই অভিভাবকদের উচিত তাদের সন্তানদের মধ্যে এবং শিক্ষকদের তাদের ছাত্রদের মধ্যে এই সচেতনতা তৈরি করা এবং একইভাবে সমস্ত দায়িত্বশীলদের উচিত তাদের অধীনস্থদের মধ্যে এই সচেতনতা তৈরি করা।

 

সেলিব্রেটি এবং লেখক যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিখ্যাত তাদের সমাজে সচেতনতা ছড়ানো এবং প্রচারে একটি দুর্দান্ত ভূমিকা রয়েছে।উদাহরণস্বরূপ, এই চিন্তা ছড়িয়ে দেওয়া উচিত যে পরিষ্কার খাবারের অবশিষ্টাংশ সংরক্ষণ করা উচিত এবং সদকা হিসাবে দেওয়া উচিত।

 

দুঃখের বিষয় হলো, অযথা অপব্যয় ও অপব্যবহার করার ক্ষেত্রেও এমন কিছু লোকের রয়েছে যারা আদর্শ ও উদাহরণের অবস্থানে রয়েছে। যদি সচেতনতা তৈরি করা হয়: গৃহস্থরা তাদের প্রয়োজনীয় খাবার রান্না করবে এবং যদি কিছু অবশিষ্ট থাকে তবে তারা তা সংরক্ষণ করবে এবং পরে খাবে বা অন্য কাউকে খাওয়াবে। সচেতনতা বাড়লে মানুষ হোটেল থেকে ততটুকু খাবারের অর্ডার দেবে যতটুকুর প্রয়োজন রয়েছে।

 

এবং এ রকম হবে না যেভাবে আমরা দেখছি যে প্লেটে খাবার অবশিষ্ট থেকে যাবে তা ফেলে দেওয়া হবে।

 

সচেতনতার অন্যতম উপায় হল পরিষ্কার খাবার প্যাকেটে প্যাক করা, আমরা হোটেলে থাকি বা বাগানে। প্যাকেট সব আকার পাওয়া যায়, আলহামদুলিল্লাহ। গবাদি পশুকে খাওয়ানোর চেয়ে ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো ভালো। আর ডাস্টবিনে খাবার ফেলে দেওয়া থেকে আরো ভাল।

 

যে খাবার বাড়ি, হোটেল, স্কুলে বিতরণ করা যায় না তা পাখি ও গবাদিপশুকে দেওয়া হলে ভালো হয়।

 

হোটেল মালিকদের জন্য এটি আমার পরামর্শ, এবং এটি তাদের জন্য উপযুক্ত হতে পারে: এটি লক্ষ্য করা গেছে যে একটি পূর্ণ প্লেট ভাত (যেমন শব্দটি সাধারণত ব্যবহৃত হয়) একজন ব্যক্তির জন্য যথেষ্ট থেকে অনেক বেশি এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি এর অর্ধেক ভাগও খেতে পারে না। পরামর্শ হলো হোটেল মালিকদের উচিত একজনের জন্য দুই ওজনের খাবার তৈরি করা' কম ওজনের খাবারের দাম কম' একইভাবে বেশি ওজনের দাম বেশি।

 

দুধ ও খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী ও মালিকদের কম খরচে ছোট আকারের বোতল উৎপাদনের পরামর্শ দিচ্ছি। অর্ধ রিয়ালে দই না পাওয়ার কারণ কি? আর লস্যি ইত্যাদির ক্ষেত্রেও তাই। অর্ধেক দামে ছোট আকারে রুটি পাওয়া যায় না কেন? এটা আল্লাহর রহমত যে, বরকত সংরক্ষণের প্রকল্পগুলো শহরগুলোতে প্রচলিত রয়েছে, যাতে সমাবেশে এবং বিশেষ করে বড় জমায়েতে যে খাবার পড়ে থাকে তা অভাবগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।

 

বিশ্বস্ত ভাইয়েরা! যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দস্তর খানে পড়ে থাকা খাবার পরিষ্কার করে খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, তখন পরিষ্কার খাওয়ার ব্যাপারে আপনার কী ধারণা?!

 

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো লোকমা পড়ে গেলে সে যেন তা তুলে নেয়। তারপর তাতে যে আবর্জনা স্পর্শ করেছে তা যেন দূরীভূত করে এবং খাদ্যটুকু খেয়ে ফেলে। শাইতানের জন্য সেটি যেন ফেলে না রাখে। আর তার আঙ্গুল চেটে না খাওয়া পর্যন্ত সে যেন তার হাত রুমাল দিয়ে মুছে না ফেলে। কেননা সে জানে না খাদ্যের কোন অংশে বারাকাত রয়েছে। (মুসলিম)

 

হাদিসের বর্ণনাকারী আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে থালা পরিষ্কার করে খেতে নির্দেশ দিয়েছেন।"

 

অর্থাৎ ভালোভাবে পরিষ্কার করে অবশিষ্ট খাবার খাওয়ার নির্দেশ দেন। বরকতের প্রতি ন্যূনতম দায়িত্ব হল তা পাখি ও পশুদের দিয়ে দেওয়া। যাতে আল্লাহ আমাদের পাকড়াও না করেন।

﴿ كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَلَا تَطْغَوْا فِيهِ فَيَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبِي وَمَنْ يَحْلِلْ عَلَيْهِ غَضَبِي فَقَدْ هَوَى ﴾ [طه: 81].

 

অনুবাদঃ তোমাদেরকে আমরা যা রিযিক দান করেছি তা থেকে পবিত্র বস্তুসমূহ খাও এবং এ বিষয়ে সীমালংঘন করো না, করলে তোমাদের উপর আমার ক্রোধ আপতিত হবে। আর যার উপর আমার ক্রোধ আপতিত হবে সে তো ধ্বংস হয়ে যায়।

 





حفظ بصيغة PDFنسخة ملائمة للطباعةأرسل إلى صديقتعليقات الزوارأضف تعليقكمتابعة التعليقات

شارك وانشر

مقالات ذات صلة

  • لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة
  • لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة (باللغة الأردية)
  • خطبة: لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة (نعم المآكل) - باللغة الإندونيسية
  • خطبة: لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة (نعم المآكل) - باللغة النيبالية

مختارات من الشبكة

  • { ثم لتسئلن يومئذ عن النعيم }(مقالة - آفاق الشريعة)
  • قلة التركيز والغباء(استشارة - الاستشارات)
  • نادمة لرفضه(استشارة - الاستشارات)
  • من سؤال الرسول صلى الله عليه وسلم(مقالة - آفاق الشريعة)
  • استغاثة النساء في القرى بالأموات(استشارة - موقع د. صغير بن محمد الصغير)
  • سر عظيم لاستجابة الدعاء الخارق (زكريا، ومريم عليهما السلام)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • موعظة وذكرى(مقالة - موقع الشيخ عبدالله بن جار الله آل جار الله)
  • خطيبي يخرج مع غير محارمه(استشارة - الاستشارات)
  • من مائدة التفسير: سورة التكاثر(مقالة - آفاق الشريعة)
  • التقنيات الحديثة والتحكم في المطر(استشارة - موقع د. صغير بن محمد الصغير)

 



أضف تعليقك:
الاسم  
البريد الإلكتروني (لن يتم عرضه للزوار)
الدولة
عنوان التعليق
نص التعليق

رجاء، اكتب كلمة : تعليق في المربع التالي

مرحباً بالضيف
الألوكة تقترب منك أكثر!
سجل الآن في شبكة الألوكة للتمتع بخدمات مميزة.
*

*

نسيت كلمة المرور؟
 
تعرّف أكثر على مزايا العضوية وتذكر أن جميع خدماتنا المميزة مجانية! سجل الآن.
شارك معنا
في نشر مشاركتك
في نشر الألوكة
سجل بريدك
  • بنر
كُتَّاب الألوكة
  • باحثون يسلطون الضوء على دور المسلمين في المجتمع الهندي
  • 60 معلمة تشارك في ندوة لتعزيز مهارات معلمات القرآن في مومشيلغراد
  • مسلمو تتارستان يطلقون حملة تبرعات لدعم ضحايا فيضانات داغستان
  • برنامج شبابي في تزولا وأوراسيي يدمج التعليم بالتكنولوجيا الحديثة
  • النسخة الثالثة عشرة من مسابقة "نور المعرفة" في تتارستان
  • موستار وبانيا لوكا تستضيفان مسابقتين في التربية الإسلامية بمشاركة طلاب مسلمين
  • بعد 9 سنوات من البناء افتتاح مسجد جديد بمدينة شومن
  • قازان تحتضن منافسات قرآنية للفتيات في أربع فئات

  • بنر
  • بنر

تابعونا على
 
حقوق النشر محفوظة © 1447هـ / 2026م لموقع الألوكة
آخر تحديث للشبكة بتاريخ : 25/10/1447هـ - الساعة: 15:56
أضف محرك بحث الألوكة إلى متصفح الويب